চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) উদ্যোগে দেশের প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এখনো পণ্য ও ব্রোকার নিবন্ধনের অনুমোদন দেয়নি, যদিও আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে চার মাসেরও বেশি সময় আগে। সিএসই স্বর্ণ, রুপা ও অপরিশোধিত পাম অয়েল—এই তিনটি পণ্যের অনুমোদন এবং পাঁচটি ব্রোকার নিবন্ধনের আবেদন করেছিল।
বিএসইসি জানিয়েছে, কমিশন ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে, তবে আইনগত ও কার্যকরী দিক যাচাই-বাছাই চলছে। অন্যদিকে, সিএসই বলছে, তাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং ১৯ থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিনের মক ট্রেডিংও শুরু হয়েছে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরও অনুমোদন না পাওয়ায় হতাশা দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অভিজ্ঞতার অভাব ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে বিলম্ব ঘটছে। দ্রুত অনুমোদন পেলে দেশের পুঁজিবাজারে বৈচিত্র্য আসবে, তবে দীর্ঘসূত্রতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমিয়ে দিতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।