পর্তুগালের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ঝড় ‘ক্রিস্টিন’-এর আঘাতে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বুধবারের এই ঝড়ে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ৮ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন। ঝড়ের প্রভাবে স্কুল-কলেজ বন্ধ রয়েছে। সিভিল প্রোটেকশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে এবং দেশজুড়ে তিন হাজারেরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সিভিল প্রোটেকশন সংস্থা এএনইপিসি জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লেইরিয়া জেলা, যেখানে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একজন ধাতব পাতের আঘাতে, আরেকজন একটি বাড়ির কাঠামোর নিচে চাপা পড়ে এবং ভিলা ফ্রাঙ্কা দে শিরা এলাকায় একটি গাছ গাড়ির ওপর পড়লে একজনের মৃত্যু হয়। মারিনহা গ্রান্দে এলাকাতেও একজন নিহত হয়েছেন। ঝড়ের কারণে লিসবন থেকে উত্তরের প্রধান মহাসড়ক ও রেলপথসহ বহু পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।
গত কয়েক দিনে একের পর এক ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়েছে পর্তুগাল। সপ্তাহান্তে আরেকটি ঝড়ে বন্যার পানিতে গাড়ি ভেসে গিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছিল।