Web Analytics

অর্থনৈতিক সংকট, মুদ্রাবাজারে ধস ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা ও হুমকি মোকাবিলায় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরানে এক ব্যবসায়িক ফোরামে তিনি বলেন, বিদেশি হস্তক্ষেপই বর্তমান অর্থনৈতিক অস্থিরতার জন্য দায়ী এবং দেশটি এখন ‘পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধে’ রয়েছে, যেখানে শত্রুরা অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে দুর্বল করতে চাইছে।

পেজেশকিয়ান বলেন, বোমা বা ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমেই শত্রুরা ইরানকে পতনের মুখে ঠেলে দিতে চায়। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, ঐক্য ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থাকলে ইরানকে নতজানু করা সম্ভব নয়। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পর থেকেই ইরানের অর্থনীতি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ইউরোপীয় দেশগুলোও জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়, ইরানকে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করে।

২০২৫ সালে ইরানি রিয়াল ডলারের বিপরীতে প্রায় অর্ধেক মূল্য হারায় এবং ডিসেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ৫০ শতাংশে পৌঁছায়।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।