উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ লেখেন, প্রতি বছর কুরবানির এক থেকে দুই সপ্তাহ আগে কারসাজি করে প্রায় সব ধরনের মশলার দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। তবে এবার তা হয়নি। গত বছরের কুরবানির তুলনায় কমেছে অধিকাংশ মশলার দাম। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমার উদাহরণ ফ্রী উপদেষ্টা তুলে ধরেন-গতবছর কুরবানি ঈদের সময় পেঁয়াজের কেজি প্রতি মূল্য ছিল ৭০-৮০ টাকা। এখন ৪৫-৫০ টাকা। দেশি রসুনের কেজি প্রতি মূল্য ছিল ১৯০-২০০ টাকা, এখন ১১০-১২০ টাকা। আদার কেজি প্রতি মূল্য ছিল ২২০-২৬০ টাকা, এখন ১১০-১২০ টাকা। এরকম অধিকাংশ মশলার মূল্য গত বছরের চেয়ে কম।