মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড ও এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে খুলনার স্থানীয় দৈনিক প্রবাহের স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল্লাহ তারেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারেক দাবি করেছেন, অভিযোগটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাকে গ্রেপ্তার করতে না পেয়ে পুলিশ গত সোমবার দুপুরে গিলাতলা দক্ষিণপাড়ার বাসা থেকে তার ১৬ বছর বয়সি ছেলেকে থানায় নেয় বলে পরিবারের অভিযোগ।
কিশোরের মা সুমনা বেগমের অভিযোগ, অভিযানকালে পুলিশ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও গালাগালি করে। তিনি দাবি করেন, খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশারের নির্দেশেই তার ছেলেকে নেওয়া হয় এবং ওসি তারেকের বাবাকে গালাগালি করেন। তবে ওসি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কিশোর পুলিশকে গালাগালি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় তাকে থানায় আনা হয়েছিল।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জন্মসনদে বয়স ১৬ বছর প্রমাণ হওয়ার পর প্রবেশন কর্মকর্তার মাধ্যমে কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। তারেক বলেন, তিনি ও স্থানীয় যুবসমাজ কথিত মাদক ব্যবসায়ী শাবানা ও তার ছেলে সাগরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়েছিলেন। তার ছেলেকে থানায় নেওয়ার পর তারা এলাকায় ফিরে আসায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।