২১ জুন থেকে প্রায় ১,৬০০টি ভূমিকম্পের পর, জাপানের দক্ষিণের প্রত্যন্ত দ্বীপগুলো থেকে বাসিন্দাদের মানসিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আকুসেকি দ্বীপ থেকে অর্ধেকের বেশি মানুষ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পানির নিচের আগ্নেয়গিরি থেকেই এই কম্পনের উৎপত্তি। কখন এই কম্পন থামবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি হিসেবে জাপানে প্রতি বছর প্রায় ১,৫০০টি ভূমিকম্প হয়, তবে এবারের কম্পন অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘ এবং প্রবল।