জিওপি নেতা রাশেদ খান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বাজেটে আগের আমলের বাজেটের ছাপ পরিলক্ষিত হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি বাজেট। অর্থাৎ বিদেশ নির্ভরতা কমানো হয়নি। তিনি বলেন, বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ সংবিধান পরিপন্থি ও বৈষম্যমূলক। এপার্টমেন্ট, ফ্লাট কেনাকাটায় ও ভবন নির্মাণে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। আরও বলেন, বাজেটে জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের জন্য ৪০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ইতিবাচক দিক। তবে বর্তমান প্রেক্ষিতে সন্দেহ সংশয় থেকে যায় যে, এই বরাদ্দ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হবে কি না! রাশেদ বলেন, রাজস্ব আদায়ের টার্গেট পূরণ হওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া নতুন করে টাকা ছাপানোতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে বলেও জানান এই নেতা।