মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ এখন তার আক্রমণাত্মক পররাষ্ট্রনীতির জন্য আলোচনায়। কারাকাসে এক নাটকীয় অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রীকে আটক করার পর তিনি ১৮২৩ সালের মনরো ডকট্রিনের পুনরুজ্জীবন ঘটিয়ে সেটিকে ‘ডনরো ডকট্রিন’ নামে ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে তিনি পশ্চিম গোলার্ধে মার্কিন আধিপত্যের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। এরপর ওয়াশিংটন আরও পাঁচটি দেশ বা ভূখণ্ডের প্রতি সতর্কবার্তা জারি করেছে।
ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করে জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি দেন, যা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে মাদকচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সতর্ক করেন এবং মেক্সিকোকে মাদক ও অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ব্যর্থতার জন্য সমালোচনা করেন। ইরানে বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা হলে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুমকি দেন এবং কিউবা সম্পর্কে বলেন, দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ভেঙে পড়ছে, তাই হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।
এই পদক্ষেপগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পররাষ্ট্রনীতির দিক নির্দেশ করছে, যা মিত্র ও প্রতিদ্বন্দ্বী উভয়ের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।