Web Analytics

বাংলাদেশে মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, নৈতিকতা ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বড় ধরনের সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস পালনের প্রেক্ষাপটে তারা বলেন, সমন্বিত শিক্ষা আইন ও স্থায়ী কারিকুলামের অভাব এবং ঘন ঘন নীতি ও কারিকুলাম পরিবর্তনে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপর্যাপ্ত বাজেট, দক্ষ শিক্ষক, ল্যাব ও শিক্ষাসামগ্রীর সংকট, দলীয়করণ এবং কর্মসংস্থানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কারিকুলাম শিক্ষার মানকে দুর্বল করেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বিলাল হোসাইন বলেন, মুখস্থনির্ভর ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ডিগ্রি পেলেও কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। শহর-গ্রাম, সরকারি-বেসরকারি ও বিভিন্ন আর্থসামাজিক শ্রেণির মধ্যে সুযোগ ও মানের বৈষম্যের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

সরকার বলছে, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে; পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যবই সংশোধনের উদ্যোগও চলছে। সূত্র অনুযায়ী, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। তবে ইশতেহারে থাকা শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনে এখনো কোনো উদ্যোগের খবর নেই। স্বাধীনতার পর পাঁচটি শিক্ষা কমিশন ও তিনটি শিক্ষানীতি হলেও দেশে এখনো কোনো শিক্ষা আইন হয়নি।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।