মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, রাশিয়া ও চীন যাতে গ্রিনল্যান্ড দখল করতে না পারে, সে জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওই অঞ্চলের মালিকানা প্রয়োজন। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশগুলোর মালিকানা থাকতে হবে, ইজারা নয়। ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করবে ‘সহজ উপায়ে বা কঠিন উপায়ে’। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রশাসন ডেনমার্কের আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি কেনার কথা বিবেচনা করছে, যদিও জোরপূর্বক যুক্ত করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, দ্বীপটি বিক্রির জন্য নয় এবং কোনো সামরিক পদক্ষেপ ন্যাটোর সমাপ্তি ঘটাতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান দেশগুলো ও কানাডা ডেনমার্কের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছে, সম্পর্কের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড। তারা জাতিসংঘ সনদের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত অখণ্ডতার নীতিগুলো রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অবহেলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে গ্রিনল্যান্ডবাসীরাই। আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।