ভারতে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারে শিল্প, সাহিত্য ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে মোট ১৩৩ জন কৃতী ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র পাঁচজন মুসলিম ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাদের অবদান প্রশংসিত হলেও সংখ্যাগতভাবে তা খুবই সীমিত। দক্ষিণ ভারতের চলচ্চিত্র তারকা মামুট্টি পদ্মভূষণ পেয়েছেন, আর রাজস্থানের গাফফারুদ্দিন মেওয়াতি যোগী ও গুজরাটের হাজিভাই কাসামভাই প্রান্তিক সংস্কৃতি রক্ষায় অবদানের জন্য পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ মুসলিম হলেও পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে তাদের প্রতিনিধিত্ব অত্যন্ত কম। এই বৈষম্য জাতীয় স্বীকৃতির অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষ করে যখন সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার খবর প্রায়ই শিরোনামে আসে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় পুরস্কার কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং রাষ্ট্রের বৈচিত্র্য ও সহাবস্থানের প্রতীক হওয়া উচিত।
প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দেয় যে এই সীমিত প্রতিনিধিত্ব প্রশাসনিক উদাসীনতার প্রতিফলন হতে পারে এবং সমাজে আস্থা ও সংহতি জোরদার করতে রাষ্ট্রকে আরও সমতাভিত্তিক স্বীকৃতি প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছে।