আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের বাজেট থেকে টাকা বাঁচিয়ে নিম্ন আদালতে কম্পিউটার কিনে দিতে হচ্ছে। কারণ অধস্তন আদালতের বিচারকরা তাদের হাত দিয়ে সাক্ষীর জবানবন্দি লেখেন। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয় সেটা করে না। তারা ফোন করে ভয় দেখায়। তারা সিএমএমকে নির্দেশনা দেয় কাকে জামিন দিতে হবে কাকে জামিন দেওয়া যাবে না। শিশির মনির বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় সাক্ষী দিতে গেছিল নিম্ন আদালতে। সাক্ষী দেওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর এজলাস থেকে নেমে এসে সাক্ষীর মান যেন ক্ষুণ্ন না হয়, তাকে গাড়ী পর্যন্ত আগাই দিয়ে যান। কারণ তিনি বিরাট সাক্ষী। এভাবে অধস্তন আদালতকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো। তিনি বলেন, যতদিন সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ থাকবে ততদিন স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় এবং পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পথে বাধা থাকবে। এটা চ্যালেঞ্জ করেছি। পৃথক সচিবালয় চেয়েছি।