মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করেছেন যে, তেহরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সমৃদ্ধি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত দাবিগুলো না মেনে চলে, তবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। মঙ্গলবার ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “চুক্তি হবে, নইলে আমাদের কিছু খুব কঠিন করতে হবে।” এই মন্তব্য আসে এমন সময়ে যখন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল সাইদের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার ফলাফল নিয়ে বৈঠক করেন। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে তাদের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইরানি জলসীমা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং অঞ্চলে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের তিনটি প্রধান দাবি হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধি বন্ধ করা, আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ সীমিত করা। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প আবারও “সর্বোচ্চ চাপ” নীতি চালু করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক প্রস্তুতি। এই উত্তেজনা ইরানে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময়ে দেখা দিয়েছে, যা দমন করতে গিয়ে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য মার্কিন হামলা ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় এর প্রভাব অনিশ্চিত।