ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নীতিসম্মেলনে জামায়াতে ইসলামী তাদের সম্ভাব্য সরকার গঠনের পর বাস্তবায়নযোগ্য নীতিমালা উপস্থাপন করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে দলটি যে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে তার সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ‘নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গঠনের নীতিগত রূপরেখা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশার বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন এবং বিশেষজ্ঞরা বিষয়ভিত্তিক নীতিপত্র নিয়ে মতবিনিময় করেন।
ঘোষিত পরিকল্পনায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, কর ও ভ্যাট ধীরে ধীরে কমিয়ে যথাক্রমে ১৯ ও ১০ শতাংশে নামানো, এবং এনআইডি, টিআইএন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা একত্রে যুক্ত করে স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড চালুর কথা বলা হয়েছে। তিন বছর শিল্প খাতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির চার্জ না বাড়ানো, বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু করা এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের সুদবিহীন ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। শিক্ষা খাতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ, শিক্ষার্থীদের সুদমুক্ত ঋণ এবং বিশ্বের বৃহত্তম নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্য, তরুণ ও আইসিটি খাতে বিশেষ উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ৬৪ জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নের নতুন মন্ত্রণালয়, পাঁচ বছরে এক কোটি তরুণকে প্রশিক্ষণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ লাখ আইসিটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য।