Web Analytics

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতির সমেষপুর গ্রামে কৃষকেরা পলিনেট কাঠামোর নিচে প্লাস্টিকের ট্রেতে কোকোপিট ব্যবহার করে সবজির চারা উৎপাদন ও বিক্রি করছেন। বিশেষ করে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চারা বিক্রি জুলাইয়ের শেষ থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে। সমেষপুর ও আশপাশের এলাকায় বর্তমানে অন্তত শতাধিক পরিবারের সদস্য চারা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত।

স্থানীয় কৃষকদের তথ্য অনুযায়ী, সমেষপুরসহ আশপাশে ৪০ একরের বেশি জমিতে কপির চারা উৎপাদন হচ্ছে। ১২ ফুট লম্বা ও ৪ ফুট প্রস্থের প্রতিটি বেডে আড়াই থেকে ৩ হাজার চারা হয়। এলাকায় প্রতি মৌসুমে আনুমানিক ১০ থেকে ১২ কোটি চারা বিক্রি হয়। জমিতে উৎপাদনের খরচ তুলনামূলক কম হলেও অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় চারা নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতি হয়।

প্রবাসফেরত হোসাইন রাব্বি ও তাঁর বাবা আনোয়ার হোসেন ঝড়, টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও রোগবালাইয়ের ঝুঁকি কমাতে এই পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। সমেষপুর ও সিন্দুরিয়াপাড়ায় প্রায় ৬০টি পলিনেটে এ বছর অন্তত ১২ লাখ চারা বিক্রির আশা করা হচ্ছে। তবে বাঁশ, পলিথিন ও কাঠ দিয়ে প্রতিটি শেড নির্মাণে কমপক্ষে ১৪ হাজার টাকা খরচ হওয়ায় কৃষকেরা পদ্ধতিটিকে ব্যয়বহুল বলছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।