২০২৬ সালের ১ জুলাই প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর একতরফা পুশইন ঠেকাতে সীমান্তবাসী এখন বিজিবির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ২০ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় দেখা গেছে, নারী ও তরুণরা রাত জেগে টর্চ, মাইক ও বাঁশি হাতে পাহারা দিচ্ছেন। বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা বেড়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ ছাড়া এ ধরনের পুশইন আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনের লঙ্ঘন এবং দুই দেশের সম্পর্কের পরিপন্থী। হিউম্যান রাইটস ওয়াচও তাদের প্রতিবেদনে ভারতের এই আচরণকে আন্তর্জাতিক আইনের বিরোধী বলে উল্লেখ করেছে।
তবে প্রতিবেদনে সীমান্ত এলাকার অবকাঠামোগত দুর্বলতার কথাও উঠে এসেছে। ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটের কারণে বিজিবির দ্রুত টহল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। স্থানীয় প্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা সীমান্ত সড়ক সংস্কারের তাগিদ দিয়েছেন, যাতে প্রতিরক্ষা ও সমন্বয় আরও জোরদার করা যায়।