মানুষের সঙ্গে সংঘাত বেড়ে যাওয়ায় জাপানে ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪ হাজারের বেশি ভালুক নিধন করা হয়েছে। গত বছর ভালুকের হামলায় ২৩০ জনের বেশি মানুষ আক্রান্ত হন, যা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নিহত ভালুকের মধ্যে আনুমানিক ১২ হাজার এশীয় কালো ভালুক এবং প্রায় ২ হাজার বাদামি ভালুক রয়েছে।
নাগানো প্রিফেকচারের পর্যটন শহর কারুইজাওয়ায় সংরক্ষণ সংস্থা পিকিও ১৯৯০-এর দশক থেকে ভিন্ন পদ্ধতিতে সংঘাত কমানোর চেষ্টা করছে। ভালুকের উপস্থিতির খবর পেলে প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে তাদের তাড়ানো হয়; প্রয়োজন হলে অচেতন করে গভীর বনে ছেড়ে দেওয়া হয়। চলতি বছর সংস্থাটি ১৯টি ভালুক ধরেছে এবং ১৩০টির বেশি দর্শন বা কামড়ের ঘটনায় সাড়া দিয়েছে।
সরকারের মতে, দক্ষ শিকারির সংকট সংঘাত বৃদ্ধির একটি কারণ; ১৯৭৫ সালের তুলনায় লাইসেন্সধারী শিকারির সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি কমেছে। ২০২৫ সালে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ভালুক শিকারের নিয়ম শিথিল করা হয়। সংরক্ষণবিদরা আবাসস্থল ব্যবস্থাপনা, বেড়া, ফলের গাছ নিয়ন্ত্রণ এবং নির্দিষ্ট সমস্যাসৃষ্টিকারী ভালুক অপসারণের পক্ষে মত দিয়েছেন।