রমজান মাসের আগে বাংলাদেশের বাজারে হঠাৎ বেড়ে গেছে ভোজ্যতেলের দাম, যদিও আমদানি পর্যাপ্ত রয়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, কোম্পানিগুলো কমিশন কমিয়ে কৌশলে দাম বাড়িয়েছে। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে সরবরাহ বেড়ে সবজির দাম কমেছে, মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে এবং ডিমের দাম ডজনে ৫ টাকা কমেছে।
বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকলেও আমদানি হয়েছে এর চেয়ে বেশি। ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৪ লাখ ৪৬ হাজার টন পাম তেল আমদানি হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে আরও এক লাখ টন সয়াবিন তেল খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। মিলমালিকেরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম বাড়লেও এর প্রভাব এখনো দেশে পড়েনি, বরং স্থানীয় বাজারে মনিটরিং দুর্বলতার সুযোগে দাম বাড়ানো হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, ডাল ও চিনিসহ রমজানে চাহিদাসম্পন্ন পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা নেই।