২০২৬ সালের ২ জুন প্রকাশিত দৈনিক আমার দেশের এক মতামত নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে দিল্লিতে গোপনে অবস্থান করছেন। নিবন্ধে বলা হয়েছে, ভারতের স্বার্থ রক্ষায় অতীতে ভূমিকার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দিল্লি তাকে আশ্রয় দিয়েছে। সাম্প্রতিক ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হাসিনার নামে সাক্ষাৎকারগুলোকে লেখক ভারতের পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যার সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর হাসিনা ও তার দল বাংলাদেশের রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে এবং অনেক সমর্থক বিরোধী দলে যোগ দিয়েছেন। নতুন সরকার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে স্বাধীন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা ভারতের পছন্দসই নয় বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
লেখক সতর্ক করেছেন, দিল্লি ও প্রো-হাসিনা গোষ্ঠীর প্রচেষ্টা যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে, তবে তা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের জন্য রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।