সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মরত অবস্থায় দাড়ি রাখার অনুমতি চেয়ে ৪৭ জন মুসলিম পুলিশকর্মী ও হোমগার্ডের আবেদন খারিজ করেছে কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের কমিশনারের দপ্তর থেকে জারি করা একটি মেমোতে বলা হয়েছে, দাড়ি রাখার প্রচলিত বিধিনিষেধ সব পুলিশকর্মীকে কঠোরভাবে মানতে হবে। জয়েন্ট কমিশনার অব পুলিশ (হেডকোয়ার্টার্স)-স্বাক্ষরিত মেমোর কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আবেদনকারীরা বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন, রিজার্ভ ফোর্স, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট ও ট্রাফিক পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবেদনকারীদের অনেকেই দাড়ি রাখার কারণ হিসেবে ধর্মীয় অনুশাসনের কথা উল্লেখ করেছিলেন। লালবাজার জানিয়েছে, ব্যক্তিগত পছন্দ বা কারণ যাই হোক, বিভাগীয় শৃঙ্খলার নীতিতে কোনো আপস করা হবে না। সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানদের আবেদনকারীদের সিদ্ধান্তটি জানাতে এবং নিয়মটি কঠোরভাবে মানা হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেমোর সঙ্গে নাম, পদমর্যাদা ও বর্তমান পোস্টিংয়ের তালিকাও যুক্ত ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে; প্রথম পর্যায়ে ৩০ জন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৭ জনের নাম ছিল।
প্রতিবেদনে ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরের একটি ঘটনার কথাও বলা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের কনস্টেবল মুহাম্মদ আকরাম আলী শেখ দাড়ি কাটতে অস্বীকার করায় সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন বলে এতে উল্লেখ করা হয়। সংখ্যালঘু কমিশনের হস্তক্ষেপের পর সেই বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।