চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ডনের সরাসরি সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত ও আলামত পাওয়ার কথা আদালতে জানিয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), তবে তথ্যগুলো যাচাই চলছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। পাঁচ দিনের রিমান্ডের চার দিন শেষে ৯ সেপ্টেম্বর ডনকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সিআইডি প্রকাশ্যে স্পষ্ট করেনি, ১৯৯৬ সালের এই মৃত্যুকে তারা এখন পরিকল্পিত হত্যা হিসেবে দেখছে কি না বা আগের আত্মহত্যার সিদ্ধান্তকে ভুল মনে করছে কি না।
সিআইডির মুখপাত্র ছুফি উল্লাহ ও বিশেষ পুলিশ সুপার গোলাম বেনজীর ডনের কথিত সম্পৃক্ততার প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি। আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলায় পলাতক কয়েকজন আসামিকে চেনার কথা ডন স্বীকার করেছেন। তবে মূল ঘটনা নিয়ে তার বক্তব্যে অসংগতি এবং তথ্য এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা পাওয়া গেছে বলে তদন্ত কর্মকর্তার দাবি। সিআইডি তার মৃত্যুর আগে, ঘটনার সময় ও পরের আচরণ এবং গতিবিধিও বিশ্লেষণ করছে।
সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী রিমান্ড দ্রুত শেষ করাকে ‘আইওয়াশ’ বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি ডনকে আবার জিজ্ঞাসাবাদ, প্রয়োজনে ভার্চুয়ালি মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সিআইডি বলেছে, প্রয়োজন হলে ডনকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত আছে।