লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এক বছরেরও বেশি সময় পর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আঞ্চলিক যুদ্ধ, লেবাননে ইসরাইলি সামরিক অভিযান এবং দক্ষিণ সিরিয়ায় ইসরাইলের উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনঃস্থাপন ও সহযোগিতা জোরদারই ছিল এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল সীমান্ত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান সমস্যা।
সিরীয় কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি বেশ কয়েকটি অভিযান চালিয়ে অস্ত্র পাচারের জন্য ব্যবহৃত সুড়ঙ্গ ধ্বংস এবং একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া সিরিয়ার সরকারের ওপর হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে ‘হিজবুল্লাহ সেল’-এর সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে। ইসরাইলে রকেট হামলার প্রস্তুতির সময়ও হিজবুল্লাহর কিছু সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে সিরিয়া ও লেবানন একই অবস্থানে রয়েছে।
নিরাপত্তা ছাড়াও দুই নেতা বাণিজ্য, অর্থনীতি, বন্দিবিনিময় এবং লেবাননে অবস্থানরত সিরীয় শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন ইস্যু নিয়েও আলোচনা করেছেন। যুদ্ধের পর অনেকেই ফিরে গেলেও এখনো ১০ লাখের বেশি সিরীয় শরণার্থী লেবাননে অবস্থান করছেন।