বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত কাঠামো বা নীতিমালা ছাড়াই সিএসআর খাতে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। তথ্য অধিকার আইনে পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০২১-২২ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংস্থাটি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা, ধর্মীয় স্থাপনা, কবরস্থান, খেলাধুলা, বনভোজন, বীমা প্রিমিয়াম ও অন্যান্য খাতে অর্থ দিয়েছে। এই চার অর্থবছরে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২৬ লাখ ৪০ হাজার, সাত কোটি ১১ লাখ ২৮ হাজার, দুই কোটি দুই লাখ ৪২ হাজার এবং ৮৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
বিএসইসির মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, প্রতিটি ব্যয় কমিশন সভায় অনুমোদিত হয়েছে এবং সিএসআর ব্যয়ের নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী ও সাবেক কমিশনার হেলাল উদ্দিন নিজামী বলেন, অলাভজনক সরকারি প্রতিষ্ঠানের সিএসআর ব্যয়ের সুযোগ নেই। রাজস্ব অডিট অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, নিজস্ব আইনে বিধান বা নীতিমালা না থাকলে এ ধরনের ব্যয় আইনবহির্ভূত হবে। সাবেক কমিশনার আবদুল হালিম তাঁর এলাকার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।