ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন এক সদস্যবিশিষ্ট পর্ষদের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ, চেয়ারম্যান ও নিয়মিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক না থাকায় বড় ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তে ধীরগতি দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন করপোরেট গ্রাহকেরা। ৪ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে আমদানি ঋণপত্র খোলা, ঋণ নবায়ন এবং চলতি মূলধনের অনুমোদন বিলম্বিত হচ্ছে।
ব্যাংকটির মাধ্যমে কয়েকশ পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। এক শিল্প উদ্যোক্তা বলেন, তাঁর চারটি গার্মেন্টস কারখানায় চার হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করেন, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যাংক সহায়তা পাচ্ছেন না। গ্রাহকেরা বলছেন, কার্যকর পর্ষদ ও শীর্ষ নির্বাহী না থাকায় বড় ঋণ, এলসি এবং গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
মোহাম্মদ জহির হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, যৌক্তিক আবেদন অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সমাধান করা হচ্ছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, দৈনন্দিন সিদ্ধান্তে সমস্যা নেই, তবে তারল্য সহায়তার অর্থ নতুন বিনিয়োগ বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটালে ব্যবহার করা যায় না। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, যাচাই-বাছাই শেষে নতুন পর্ষদ গঠনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।