ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের সরকার উৎখাতকে দেশের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন। জাতীয় নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে, জনমত জরিপে তাঁর সমর্থন কমার প্রেক্ষাপটে তিনি এ অবস্থান জানান। রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের প্রধান পিট হেগসেথের ইসরাইল সফরের পর তিনি বক্তব্য দেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলায় সম্মত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেননি।
আলজাজিরাকে দেওয়া বিশ্লেষকদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরাইল বিমান হামলায় ইরানের সামরিক স্থাপনায় বড় ক্ষতি করতে পারে। আক্রমণাত্মক অস্ত্রের মজুত ও আকাশে জ্বালানি নিয়ে দীর্ঘ সময় উড্ডয়নের সক্ষমতা ইসরাইলকে সুবিধা দেয়। কিন্তু সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা আর রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করা এক নয়। নেতানিয়াহুও মার্চে বলেছিলেন, শুধু আকাশপথের হামলায় এ লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়; স্থল অভিযানও প্রয়োজন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সরকার উৎখাতে স্থলসেনা মোতায়েন ও বছরের পর বছর উপস্থিতি বজায় রাখার প্রস্তুতি দরকার হবে। ইরান ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও জাহাজবিধ্বংসী অস্ত্র দিয়ে পাল্টা আঘাতের সক্ষমতা ধরে রেখেছে। দীর্ঘ সংঘাত ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়াতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে, আর গভীর ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় আঘাতের সক্ষমতা ইসরাইলের একার নেই বলে বিশ্লেষকেরা মনে করেন।