জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, আয়বৈষম্য ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতির প্রতিবাদে শনিবার টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ হয়েছে। প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দিন শেষে দেশজুড়ে ৫৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, সারা দেশে ৩ লাখ ২০ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন, যার মধ্যে প্যারিসে ছিলেন ৭০ হাজার। তবে যুব সংগঠন ও শিক্ষার্থী ইউনিয়নগুলোর দাবি, অংশগ্রহণকারী প্রায় পাঁচ লাখ; প্যারিসেই প্রায় দুই লাখ। অধিকাংশ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ হলেও কয়েকটি শহরে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও সংঘর্ষ হয়। পূর্ব প্যারিসে মুখোশধারীরা রাস্তার পাথর, বোতল ও আতশবাজি ছোড়ে; পেট্রলবোমায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য দগ্ধ হন।
বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারম মোতায়েন করা হয়; বিশেষায়িত ইউনিট, ড্রোন, হেলিকপ্টার ও জলকামানও প্রস্তুত ছিল। বিক্ষোভকারীদের একাংশ ৫ নভেম্বর স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। ওই দিন শ্রমিক ইউনিয়নগুলোরও বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের ডাক রয়েছে। সরকার বলছে, তারা দাবিগুলো বিবেচনা করছে এবং প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু শিক্ষার্থী ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।