ঢাকাজুড়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যস্ত দিনের সময় থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সড়ক ও অলিগলিতে পথচারীদের টাকা, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মোটরসাইকেলে এসে অস্ত্রের ভয় দেখানো, পথরোধ করা এবং ছুরিকাঘাতের ঘটনাও ঘটছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় ২৯ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার কাছে রনজিনা পারভীন, ২৬ জুলাই মোহাম্মদপুরে ফজলে রাব্বি সুমন, ৯ সেপ্টেম্বর পল্লবীতে সজীব এবং ২৯ আগস্ট কদমতলীতে জনি নিহত হন।
বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা পুলিশের টহল কমার অভিযোগ করলেও পুলিশ বলছে, টহল ও অভিযান বাড়ানো হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলছে। পুলিশের ডেটাবেজে ১,৩৪৩ জন চিহ্নিত ছিনতাইকারীর নাম রয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ১৭২টি ছিনতাই মামলায় ৩৯৯ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছিনতাই এখন সংঘবদ্ধ ও বাণিজ্যিক চক্রের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ও সময়ে দৃশ্যমান পুলিশি উপস্থিতি বৃদ্ধি, ভুক্তভোগীদের সহজে মামলা করার সুযোগ এবং সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ চক্র খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুকি জানান, সরকার ও বিচারকরা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন এবং রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের জামিনের বিরোধিতা করছে।