রয়টার্সের মঙ্গলবার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাবান্ধব ও শিথিল নীতির সহায়তায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিপুল বিনিয়োগ শেয়ারবাজারকে রেকর্ড উচ্চতায় তুলেছিল এবং চলতি বছরে বিশ্ব অর্থনীতিতে ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি করেছিল। তবে যুদ্ধ, বাড়তে থাকা সরকারি ঋণ ও বাণিজ্যিক উত্তেজনার চাপে এখন এই বিনিয়োগকেন্দ্রিক বাজার কৌশলে ফাটলের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
বিনিয়োগকারীরা বাজারের টিকে থাকার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অস্থিতিশীল বাণিজ্যনীতি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খাতে ধাক্কা মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ওপর সুদ বাড়ানোর চাপ তৈরি হয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জিম ও’নিল বলেন, সুদ বাড়লে সবচেয়ে দুর্বল দেশ ও ব্যবসাগুলোর নাজুক অবস্থা প্রকাশ পায়; তবে এআই বিনিয়োগে এখনো বড় বিপর্যয় না হওয়ায় তিনি বিস্মিত।
অক্টোবরে অস্থিরতা শুরু হলে বিনিয়োগকারীরা এআই-সংশ্লিষ্ট শেয়ার থেকে তুলনামূলক নিরাপদ বন্ডে ঝুঁকেন। গত মাসে নাসডাক ১০০ সূচক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি বাজারমূল্য হারায়। ফ্রান্স ও জাপানে বন্ডের আয়ও বেড়েছে, আর প্রযুক্তি প্রকল্প ও শেয়ারে বিভিন্ন দেশে চাপ দেখা দিয়েছে।