আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, বাংলাদেশে এখনো ২৫১ জন নিখোঁজ রয়েছেন এবং প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশে তৃতীয়বারের মতো দিবসটি পালিত হচ্ছে। নিখোঁজদের পরিবার এখনো প্রিয়জন জীবিত নাকি মৃত, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য না পেয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
কমিশনের কাছে ১,৮৫০টি অভিযোগ জমা পড়ে; দ্বৈত অভিযোগ বাদ দিয়ে ১,৫৬৯টির বেশি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি কমিশন চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্পৃক্ততায় সংঘটিত কাঠামোগত অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, অনেককে হত্যা করা হয়েছে, কাউকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং কাউকে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম, নির্যাতন ও হত্যা সংক্রান্ত তিনটি মামলার বিচার চলছে, তবে পরিবারগুলোর অভিযোগ বিচারপ্রক্রিয়ার গতি ধীর। প্রস্তাবিত আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে দেওয়ার বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীরা প্রশ্ন তুলেছেন। তারা স্বাধীন তদন্ত, দ্রুত বিচার, দায়ীদের জবাবদিহি, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।