প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার অতিরিক্ত ও প্রতিষ্ঠানভেদে ব্যাপক ভিন্ন ফি নিয়ে করণীয় নির্ধারণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে সুপারিশ চেয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. নূরুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও অতিরিক্ত ফি নেওয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষের জানা আছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একই পরীক্ষার জন্য রোগীদের ভিন্ন অঙ্কের অর্থ দিতে হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ একাডেমি অব প্যাথলজিস্ট বলেছে, রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষার ফি নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। কয়েকজন বায়োকেমিস্ট ও টেকনিশিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, সিরাম ক্রিয়েটিনিন, এসজিপিটি, এইচবিএসএজি, অ্যালবুমিন, ভিটামিন ডি ও ইউরিক অ্যাসিড পরীক্ষায় সরাসরি ব্যয়ের তুলনায় রোগীদের কাছ থেকে অনেক বেশি ফি নেওয়া হয়। রোগীদের অভিযোগ, প্রথম সাক্ষাতেই অনেক পরীক্ষা দেওয়ায় চিকিৎসার খরচ মধ্যবিত্তের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা বলেছেন, যন্ত্রপাতি, রি-এজেন্ট, ভবন, অবস্থান, জনবল ও পরিচালন ব্যয়ের কারণে ফিতে পার্থক্য স্বাভাবিক। তবে টিআইবি কমিশনভিত্তিক চুক্তি ও নিয়ন্ত্রণের ঘাটতির অভিযোগ তুলেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপকমিটি ও বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত নেওয়া হবে এবং সবার জন্য গ্রহণযোগ্য একটি সুষম নীতিমালার সুপারিশ সরকারের কাছে দেওয়া হবে।