১৬ জুন ২০২৬ সরকার মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের পাশে ৩০০ একর জমিতে ফ্রি ট্রেড জোন স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন দেয়। চট্টগ্রাম বন্দরের কাছেও আরও ৩০০ একর জমিতে দ্বিতীয় জোনের পরিকল্পনা রয়েছে। লেখাটি বলছে, মহেশখালীর মাতারবাড়ী প্রকল্প বাংলাদেশের প্রথম এমন উদ্যোগ হলেও এর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব সতর্কভাবে মূল্যায়ন প্রয়োজন।
লেখকের মতে, জোনটি চালু হলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পরিবহন ব্যয় ও সময় কমতে পারে এবং ভারত মাতারবাড়ীতে কাঁচামাল এনে পণ্য তৈরি করে আসিয়ান বাজারে রপ্তানির সুযোগ পাবে। নিবন্ধে জেবেল আলী, শেনজেন ও রটারড্যামের সাফল্যের পাশাপাশি পানামার কোলন ও মেক্সিকোর ম্যাকিলাডোরা অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতা, অর্থপাচার, দুর্বল শিল্প-সংযোগ ও দূষণের উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে।
মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়নের প্রথম পর্যায়ের অনুমোদিত ব্যয় ১৭ হাজার কোটি টাকা, যার প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা জাইকার ঋণ। MIDA মাস্টারপ্ল্যানে ৩০ বছরে ৬০ থেকে ৬৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রাক্কলন রয়েছে। লেখাটি ভারতের জন্য দেওয়া সুবিধার বিপরীতে অর্থনৈতিক রিটার্ন, উত্তর-পূর্ব ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশ, ৪০ শতাংশ স্থানীয় কাঁচামাল এবং বন্দর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশি দক্ষতা ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।