জুলাই ও আগস্টে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা বেড়ে আগস্ট শেষে ১৮ হাজার ১৭০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এটি ব্যাংকটির ৯৭ হাজার ৭২ কোটি টাকার মোট ঋণের ১৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা, পুনঃতফসিল, পুনর্গঠন ও এক্সিট সুবিধা ব্যবহার করে খেলাপি ঋণ কমছিল, তবে নতুন কিছু ঋণ খেলাপি হওয়ায় তা আবার বেড়েছে।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, কিছু প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা-বাণিজ্য খারাপ হওয়ায় নতুন করে ঋণ খেলাপি হচ্ছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী বলেন, নীতি সহায়তাপ্রাপ্ত ঋণগুলো দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডে রয়েছে এবং তাদের কিস্তি পরিশোধ এখনো শুরু হয়নি; তাই ওই ঋণগুলো আবার খেলাপি হচ্ছে না। তিনি বলেন, চলতি বছর শেষে খেলাপি ঋণের হার ১২ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে ব্যাংক।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে শীর্ষ খেলাপিদের কাছ থেকে সোনালী ব্যাংক আদায় করেছে মাত্র ৪১ কোটি টাকা, আর অন্যান্য খেলাপিদের কাছ থেকে আদায় করেছে ৯৮০ কোটি টাকা। হলমার্ক, বেক্সিমকো, থারমেক্স ও ওরিয়নসহ কয়েকটি গ্রুপ শীর্ষ খেলাপির তালিকায় রয়েছে। গত বছর ছয় প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনর্গঠন করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেক্সিমকোর ঋণ ছিল ১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা।