বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ও দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির চাপে বাংলাদেশ সরকার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে। আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করা হতে পারে, যা চলতি বছরের বাজেটের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন সরকারের প্রথম বাজেট বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ঋণ পরিশোধের ক্রমবর্ধমান চাপ ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের জুলাই–এপ্রিল সময়ে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ বাবদ বাংলাদেশ পরিশোধ করেছে ৩৮০ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। নতুন ঋণপ্রবাহ ও প্রতিশ্রুতি উভয়ই কমেছে। আগামী অর্থবছরে ঋণসেবায় প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, যা উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বরাদ্দে চাপ সৃষ্টি করবে।
এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে। বিশ্লেষকদের মতে, কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগের সুফল কমে যেতে পারে।