ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরও বাংলাদেশজুড়ে সহিংসতা থামছে না। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, হতাহতের ঘটনা এবং বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে এক জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত নেতারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই ধরনের সহিংসতা বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নাটোর, যশোর ও পাবনাতেও ঘটেছে।
বাগেরহাটে নির্বাচনের পর থেকে বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যরাও আহত হন। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরাজিত প্রার্থীর কর্মীদের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। অন্যান্য এলাকায় আধিপত্য, মৎস্য ঘের দখল ও টেন্ডার নিয়ে বিরোধে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে।
বিভিন্ন স্থানে মামলা ও তদন্ত চললেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলো বিচার দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে।