ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি বৃহৎ অংশকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ ঘোষণা করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখলের পর এটি দেশটির প্রথম এমন পদক্ষেপ। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো এরিয়া ‘সি’-তে অবৈধ ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সেখানে নতুন বসতি স্থাপন করা। এরিয়া ‘সি’ পশ্চিম তীরের মোট ৬০ শতাংশ ভূখণ্ড, যা সম্পূর্ণ ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
জর্ডান এই পদক্ষেপকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা ও বাদশাহ আবদুল্লাহর স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছে। বাদশাহ আবদুল্লাহ পূর্বে সতর্ক করেছিলেন যে, ফিলিস্তিনিদের স্থানচ্যুতি বা তাদের জাতীয় অধিকার বিলুপ্তি জর্ডান মেনে নেবে না। এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে জর্ডান, হামাস, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, মিশর, অন্যান্য আরব ও মুসলিম দেশ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পশ্চিম তীরের সংযুক্তির বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করলেও ইসরাইলকে পদক্ষেপটি বাতিল করতে বলেননি।
জর্ডানে এই পদক্ষেপকে অসলো চুক্তির সমাপ্তি এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ত্বরান্বিত করার উপায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে জর্ডান ভবিষ্যতে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের গ্রহণ বা ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্থগিত করার মধ্যে একটিকে বেছে নিতে বাধ্য হতে পারে।