চট্টগ্রামে ঈদের আগে প্রায় ৫০টি গার্মেন্টে বেতন-বোনাস পরিশোধ নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে শিল্প পুলিশ। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর মধ্যস্থতায় আলোচনা চললেও কয়েকটি কারখানা এখনো ঝুঁকিতে রয়েছে। কর্তৃপক্ষ শেষ কর্মদিবস ১৮ মার্চের আগেই বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে।
শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, শুরুতে ৬৬টি গার্মেন্টকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল, যার মধ্যে ২৫টি বিজিএমইএর সদস্য। সরকার বেতন ও বোনাসের চাপ সামলাতে আড়াই হাজার কোটি টাকার সফট লোন ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে ১৭টি গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করেছে, বাকিরা শিগগিরই পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিজিএমইএর নেতারা জানিয়েছেন, ১২ থেকে ১৫টি সদস্য কারখানায় এখনো সংকট রয়েছে, তবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে যাতে কেউ এই পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে। সময়মতো বেতন পরিশোধ ও ন্যায্যভাবে লোন বিতরণ নিশ্চিত করা গেলে বড় ধরনের অস্থিরতা এড়ানো সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।