শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিত রায়হান আলম বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটার দিকে দুটি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, চট্টগ্রামের রাউজান পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা থেকে তপু মোস্তফা নামে এক তরুণকে তুলে নেওয়া হয়েছে। রায়হানের ভাষ্য অনুযায়ী, তপু তাঁর এলাকার ছোট ভাই ও কলেজের ছাত্র। তিনি তপুকে হত্যা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
রায়হানের পোস্টে বলা হয়, ‘ডাকাত আলম’ ও ‘আজিজ বাহিনী’র লোকজন তপুকে নিয়ে গেছে, তাকে বিভিন্ন কথা বলে মারধর করা হয়েছে এবং রায়হানকে মামলায় ফাঁসাতে তাকে দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করানো হচ্ছে। তবে এসব দাবির পক্ষে রায়হানের পোস্টে কোনো প্রমাণ ছিল না। তপুকে কারা নিয়ে গেছে, তিনি কোথায় আছেন বা তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি।
রাত হওয়ায় তপুর পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। রাউজান থানার ওসি সাইফুইল ইসলাম রাত দুইটার দিকে বলেন, তপু নামে একজন কিশোর গ্যাং লিডার আছে; তাঁর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে পুলিশ বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছে। প্রতিবেদনে জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম ও আজিজকে রায়হানের প্রতিপক্ষ বলা হয়েছে।