চট্টগ্রামে গত এক থেকে দেড় বছরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নাম জড়িয়ে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ, হত্যা, অস্ত্র উদ্ধার, চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং পুলিশের ওপর হামলার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই পক্ষের পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশি-বিদেশি অস্ত্রের মহড়ার মধ্যে অন্তত ৩০ জন আহত হন এবং তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর করা হয়।
পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে অস্ত্রধারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশ প্রথমে একজন অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করার কথা জানায়, পরে অস্ত্র হাতে মহড়ার সময় সিরাজুল ইসলাম ও সাদেক নামে দুই যুবককে শনাক্ত করে। আসলাম চৌধুরীর ভাষ্য, জুনিয়র নেতা-কর্মীদের নেতৃত্ব ও পদ-পদবি নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এ ঘটনা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধে অন্তত পাঁচজন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছেন। ওয়াকিল হোসেনকে গ্রেপ্তারের অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে; ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। বিএনপি নেতারা বিশৃঙ্খলা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। পুলিশও রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।