আগামী ২৮ নভেম্বর নির্ধারিত ফিলিস্তিনি আইনসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গাজার বাসিন্দারা রাজনৈতিক স্লোগানের চেয়ে চাকরি, নিরাপত্তা ও পুনর্গঠনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। দেইর আল-বালাহর ২৪ বছর বয়সি আহমাদ মোহসেনের জন্য এটি প্রথম জাতীয় ভোট। তিনি চান প্রার্থীরা বেকারত্ব, আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো বাস্তব সমস্যা সমাধানের কথা বলুন। নার্সিংয়ে পড়াশোনা শেষ করা মোহসেন এখন প্রিপেইড ইন্টারনেট কার্ড বিক্রি করেন।
যুদ্ধের প্রথম কয়েক মাস আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করলেও পারিশ্রমিক না পাওয়ায় মোহসেন অন্য কাজ খুঁজতে বাধ্য হন। তার প্রধান দাবি ভালো বেতনের স্থায়ী চাকরি এবং নিরাপত্তা। গাজায় বেকারত্ব প্রায় ৮০ শতাংশ। ইসরাইলের দীর্ঘ অবরোধ ও যুদ্ধে অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; যুদ্ধে ৭৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
২০০৬ সালে ভোট দেওয়া গাসসান মারওয়ান ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বাড়ি ও কারখানা হারানোর পর পুনর্গঠন, শান্তি ও নিরাপত্তা চান। নির্বাচন কমিশনের হিসাবে, গাজায় প্রায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ভোটার রয়েছেন, তবে বাস্তুচ্যুতি, ধ্বংস ও নিরাপত্তাজনিত কারণে আয়োজন কঠিন। বিশ্লেষক ইয়াদ আল-কুরার বলেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জীবিকা পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে হবে।