প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বেইজিংয়ের দ্রুত সামরিক আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় এই উৎক্ষেপণকে সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই বছর আগে চীন ফরাসি পলিনেশিয়ার কাছে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, সর্বশেষ এই পরীক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানার সক্ষমতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, চীনের দ্রুত ও অস্বচ্ছ পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণ বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। ওয়াশিংটন বেইজিংকে অর্থবহ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংলাপে অংশ নিতে আহ্বান জানিয়েছে। তাইওয়ান ক্ষেপণাস্ত্রটিকে জেএল-২ হিসেবে শনাক্ত করে জানায়, এটি ফিলিপাইনের ওপর দিয়ে উড়ে গেছে। ফিলিপাইন, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান এ পরীক্ষার নিন্দা জানায়, তবে রাশিয়া একে চীনের সার্বভৌম অধিকার বলে অভিহিত করে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং সলোমন দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি সাগরে পড়ে। একই দিনে অস্ট্রেলিয়া ও ফিজি একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে, যা প্রশান্ত মহাসাগরে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করেছে।