শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়েন। বিক্ষোভকারীরা তাকে ঘিরে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেয়, ডিম ও কাদা ছোড়ে এবং তার জামা ছিঁড়ে ফেলে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, আগেই পুলিশকে বহিরাগতদের উপস্থিতির বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে উদ্ধার করে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলের শীর্ষ নেতারা দেখা করেন।
ঘটনার নিন্দা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “শাসকই এখন ঘাতক।” বিজেপি দাবি করেছে, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য ও সুকান্ত মজুমদার বলেন, দল কোনো ধরনের সহিংসতাকে সমর্থন করে না, তবে মানুষের ক্ষোভ দীর্ঘদিনের দমননীতির ফল। কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টিও হামলার নিন্দা জানায়। অখিলেশ যাদব বলেন, বিজেপি সরকার ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতি করছে।
ঘটনাটি তৃণমূলের সাম্প্রতিক নির্বাচনী পরাজয়ের পর দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে ঘটেছে, যেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করা হচ্ছিল।