কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে দুই মণ ধানের টাকায়ও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে সরকারি ভর্তুকিতে দেওয়া হারভেস্টার মেশিনে আদায় করা হচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি। এতে স্থানীয় কৃষকেরা চরম বিপাকে পড়েছেন। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১২ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে, যার মধ্যে অতিবৃষ্টিতে প্রায় ৫৮৫ হেক্টর জমির ধান ক্ষতির মুখে পড়েছে।
আগে এক মণ বা তারও কম ধানে শ্রমিক পাওয়া যেত, এখন দুই মণ ধানেও মিলছে না। বর্তমানে প্রতি মণ কাঁচা ধানের দাম ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা এবং শ্রমিকের দৈনিক মজুরি প্রায় ১,৩০০ টাকা। এক বিঘা জমিতে ধান উৎপাদনে গড়ে ২২ হাজার টাকা খরচ হলেও বিক্রিতে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, ফলে প্রতি বিঘায় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় ২৭টি হারভেস্টার প্রস্তুত রয়েছে এবং পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও মেশিন আনা হচ্ছে। প্রতি বিঘা জমি কাটার সর্বোচ্চ ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৫০০ টাকা, এর বেশি আদায় করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।