যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকি মোকাবিলায় ইরান আত্মরক্ষামূলক অবস্থানের পরিবর্তে আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণের পরিকল্পনা করছে।
আকরামিনিয়া জানান, যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ইরান কয়েকটি ‘প্রতিরোধমূলক অভিযান’ পরিচালনা করেছে। জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা যুক্তরাষ্ট্রের আরও হামলা ঠেকাতে কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করেছে বলে তিনি দাবি করেন। ইরানের ভূখণ্ডে প্রবেশকারী কোনো মার্কিন সেনাকে আটক করা গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও দাবি করেন এই সেনা কর্মকর্তা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামোর বড় অংশ পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে এবং নতুন সামরিক সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের আগে জাহাজগুলো ইরানের নজরদারিতে থাকবে এবং ইরানের অনুমতি পেলেই সেগুলো চলাচল করতে পারবে বলেও তিনি জানান।