একটি বাংলাভাষী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইন-ইলেভেনের পর যুদ্ধ ও ইসলামভীতি ছড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই নিজের পাতা ফাঁদে আটকে পড়ে। পিয়ার্স মরগানের ‘আনসেন্সরড নিউজ’ অনুষ্ঠানে মার্কিন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার টাকার কার্লসনের বক্তব্যের উল্লেখ করে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, হামলার আগে ইসরাইলি গোয়েন্দাদের এ বিষয়ে জানাশোনা ছিল এবং হামলার প্রকৃত সত্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কার্লসন বহুল আলোচিত ‘ইসরাইলি আর্ট স্টুডেন্টস’ প্রসঙ্গও তোলেন। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে তথাকথিত কিছু শিল্পশিক্ষার্থী আসলে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের গ্রেপ্তারের পর অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, এফবিআইয়ের নথিতে কয়েকজনের হামলার দৃশ্য ধারণ এবং আগে থেকে ধারণা থাকার ইঙ্গিত ছিল। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি মন্তব্যও এতে উদ্ধৃত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার পর মুসলিম ও আরব বংশোদ্ভূত মার্কিনরা মসজিদে হামলা, হুমকি ও হয়রানির মুখে পড়েন। এফবিআইয়ের হিসাবে, মুসলিমবিরোধী ঘৃণা অপরাধ ২০০০ সালের ২৮টি থেকে ২০০১ সালে ৪৮১টিতে ওঠে, যা ১,৬১৭ শতাংশ বৃদ্ধি। ২০০২ সালে তা ১৫৫টিতে নামে, ২০১৫ সালে ২৫৭ এবং ২০১৬ সালে ৩০৭টি হয়; এরপর সংখ্যা কমতে থাকে।