যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের চলমান আলোচনায় বড় ধরনের কোনো সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। তবে সীমিত পরিসরে কিছু বাস্তবধর্মী ও লেনদেনভিত্তিক চুক্তি হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার লা ট্রোব ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক নিক বিসলির মতে, চীনের প্রধান আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ওপর আরোপিত শুল্ক কমানো, যদিও এটি সম্ভব হবে কি না তা অনিশ্চিত।
বিসলি আলজাজিরাকে বলেন, আলোচনায় ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তিগুলোই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। চীন সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় পরিমাণে সয়াবিন কেনার ঘোষণা দিতে পারে, যা ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন কৃষকদের জন্য স্বস্তি আনবে। পাশাপাশি চীন বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন বিমান কেনার অর্ডার দিতে পারে। দুই দেশের মধ্যে একটি যৌথ বাণিজ্য বোর্ড গঠনের প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।
তবে বিসলি মনে করেন, এই বৈঠক থেকে বড় কোনো সাফল্য আশা করা যাচ্ছে না। এটি মূলত এমন একটি মুখরক্ষা-ধর্মী সমঝোতা, যেখানে উভয় পক্ষই নিজেদের দেশে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবে।