পুলিশ সদর দপ্তর ও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, বিএনপি সরকার গঠনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অন্তত ৩৭১ বার দেশে অস্থিরতা ও সহিংসতা ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন। প্রতিবেদনে মিছিল, ঝটিকা মিছিল, ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণের ঘটনার কথা বলা হয়েছে। এসব ঘটনায় ১১৬ মামলায় ৩৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতারা এসব কর্মসূচিতে অর্থায়ন করছেন। পুলিশ বলছে, মোবাইল ব্যাংকিং ও হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হয়েছে এবং বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারীরা যোগাযোগ ও সংগঠিত হয়েছেন। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ডিসেম্বর মাসে ফিরবেন—এমন গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, ৩০ আগস্ট পর্যন্ত বিটিআরসির মাধ্যমে ৮৮৫টি লিংক অপসারণ করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর ও ডিএমপি মাঠপর্যায়ে সতর্কতা এবং আইনগত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর গুলশানের ঝটিকা মিছিলের পর গুলশান বিভাগের উপকমিশনার ও গুলশান থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঢাকায় আবাসিক হোটেলের অতিথি তালিকা যাচাই, তল্লাশি এবং প্রবেশপথে ব্লক চেকপোস্টসহ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।