লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্ণবাদী প্রচারণা এবং কথিত ‘পুনর্বাসন ষড়যন্ত্র’ নিয়ে গুজবের মধ্যে সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার অভিবাসীরা আতঙ্কে রয়েছেন। রাজধানী ত্রিপোলিতে ১ অক্টোবর বিদেশি অভিবাসীদের জন্য ‘শেষ সময়সীমা’ হিসেবে প্রচার হলেও সেদিন বড় বিক্ষোভ হয়নি। তবে ২ ও ৯ অক্টোবর শহীদ চত্বরে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী ‘লিবিয়া লিবীয়দের জন্য’ ও ‘পুনর্বাসন চাই না’ স্লোগান দেন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ত্রিপোলি ও আশপাশে সাহারা-দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার প্রায় ৭ লাখ মানুষ বাস করেন; তাঁদের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার সুদানি। মানব পাচারকারী চক্রের শোষণ, নির্বিচার আটক, অপহরণ, নির্যাতন ও দাসত্বের ঝুঁকিতে থাকা অভিবাসীদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর পশ্চিম ত্রিপোলিতে আইওএম পরিচালিত অভিবাসী সহায়তা কেন্দ্রে হামলা হয়, যদিও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আইওএম ও ইউএনএইচসিআর অভিবাসীদের লিবিয়া ছাড়তে বাধা দেওয়ার কথিত পরিকল্পনার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে। জাতীয় ঐক্যের সরকার বলেছে, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হামলা বা প্রাণনাশের হুমকিকে বৈধতা দেয় না। ২০২৫ সালে আইওএমের স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে প্রায় ১৬ হাজার অভিবাসী সহায়তা পেয়েছেন এবং লিবীয় কর্তৃপক্ষ ৩৭ হাজারের বেশি মানুষকে বহিষ্কার করেছে।