Web Analytics
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘপাল্লার জ্যাসম-ইআর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের বিপুলসংখ্যক ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে স্থানান্তর করছে। এনডিটিভি সূত্রে জানা গেছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসহ বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মজুত থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মার্চের শেষ দিকে প্রতিটি প্রায় ১৫ লাখ ডলার মূল্যের ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের ঘাঁটি ও যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানান্তরের পর যুদ্ধ-পূর্ববর্তী ২,৩০০ জ্যাসম-ইআর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত থেকে অন্যান্য অঞ্চলের জন্য মাত্র প্রায় ৪২৫টি অবশিষ্ট থাকবে, এবং প্রায় ৭৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষতি বা ত্রুটির কারণে অকার্যকর হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত, যার মধ্যে প্রায় ২৫০ মাইল পাল্লার স্বল্পপাল্লার জ্যাসমও রয়েছে, ইরান যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র মজুত নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যেই এক হাজারের বেশি জ্যাসম-ইআর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হয়েছে এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক অভিযানে ৪৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। বর্তমান ব্যবহারের হারে অস্ত্র মজুত পুনরায় পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।