প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, খুব বেশি করাপশান ও ইরেগুলেটারিজে স্বাস্থ্যখাত আছে। এগুলোর জন্য স্বাস্থ্যখাত ম্যানেজমেন্টে যারা আছেন তাদের দায়-দায়িত্ব কতটুকু তারচেয়ে বড় বিষয় হলো যে, রাজনৈতিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ায় অনেক দূরে চলে গিয়েছে এ খাতের দুর্নীতি। তিনি বলেন, পাবলিক অফিসের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই হলো গণতন্ত্রের প্রধানতম লক্ষ্য। গণতন্ত্র না থাকার সবচাইতে বড় কুফল হলো- সমাজে দুটি জিনিসের ভয়ংকর রকমের ঘাটতি তৈরি হয়। সেটি হলো- ট্রান্সপারেন্সি এবং একাউন্টিং। আরো বলেন, আমরা গণতন্ত্র বলতে বুঝি একটা নির্বাচন। থার্ড ওয়াল্ডে এভাবে চিন্তা করা হয়। কিন্তু সিভিলাইজড ওয়ার্ল্ড যে সমস্ত দেশে গণতন্ত্রের চর্চা হয়; তারা গণতন্ত্র বলতে নির্বাচনটাকে বোঝে গণতন্ত্রে প্রবেশের দরজা হিসেবে। আর গণতন্ত্র বলতে তারা বোঝে এবং বোঝায় ট্রান্সপারেন্সি এবং একাউন্টিবিলিটি। একটা সিসটেম যেখানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা থাকবে।