মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আট বছর আগে পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর ইরান প্রায় ২২ হাজার পাউন্ড বা ১১ টন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত করেছে। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ইরানকে বাধা দিতে দুই মাস আগে শুরু হওয়া মার্কিন সামরিক অভিযানের পরও এই মজুতের বর্তমান অবস্থা অজানা রয়ে গেছে। ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র নাতাঞ্জ ও ফোরদোতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং ইস্পাহানে মজুত সুড়ঙ্গগুলোতে বোমা হামলা চালায়।
এরপর ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত করে, ফলে সরাসরি নজরদারি বন্ধ হয়ে যায়। স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণেও মজুতের অবস্থান নিশ্চিত করা যায়নি, এবং কিছু ইউরেনিয়াম যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান যদি এই মজুত উদ্ধারও করে, তা থেকে অস্ত্র তৈরিতে কয়েক মাস বা তারও বেশি সময় লাগবে। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, মার্কিন স্যাটেলাইটগুলো মাটির নিচে থাকা ইউরেনিয়ামের ওপর নজর রাখছে, তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান ইস্পাহানের কাছে নতুন সুড়ঙ্গকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম স্থানান্তর করে থাকতে পারে।
ফলে ইরানের একটি গোপন সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না, যা ভবিষ্যতে অস্ত্র তৈরির কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।